ওযুর পানি ব্যবহারে সচেতন হই

আমাদের নবীজী ওযুতে ১ “মুদ্দ” পানি ব্যবহার করতেন যার পরিমান ৭৯৬ মিলি লিটার, অর্থ্যাৎ ১ লিটারেরও কম। অথচ আমরা ওযুতে কত পানি নষ্ট করি। বিশেষ করে ট্যাপের পানিতে ওযু করলে আমরা কোন হিসাবই করি না।

পানি আল্লাহর এক অশেষ নিয়ামত। শুধু তৃষ্ণা নিবারনের জন্য নয়, পানি ছাড়া আমাদের অনেক কাজই সম্ভব নয়। নামাজ আদায়ের আগে ওযু, আর সেই ওযুতে আমরা পানি ব্যবহার করি। সুতরাং পানির ফজিলত কতই না উত্তম। আমাদের নবীজী ওযুতে ১ “মুদ্দ” পানি ব্যবহার করতেন যার পরিমান ৭৯৬ মিলি লিটার, অর্থ্যাৎ ১ লিটারেরও কম। অথচ আমরা ওযুতে কত পানি নষ্ট করি। বিশেষ করে ট্যাপের পানিতে ওযু করলে আমরা কোন হিসাবই করি না। “অযুতেও কি পানি অপচয় হয়?” এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রাণপ্রিয় রাসুল উত্তর দিয়েছেন, “হ্যাঁ, এমনকি বহমান নদীতে অযু করলেও” (সুনান ইবনে মাজাহঃ ৪২৫)। অর্থ্যাৎ নদীর পানিতে ওযু করার সময়েও পানি অপচয় করা যাবে না। শহর জীবন প্রায়ই পানির সংকট দেখা দেয়, একটু পানির জন্য তখন কত অপেক্ষা, কত প্রচেষ্টা। পানির প্রতি সচেতনতা ভীষণ প্রয়োজন। সম্ভব হলে ওযুর সময় বদনা বা মগের ব্যবহার করুন। এতে পানি কম অপচয় হবে। এক বদনা পানি দিয়ে সুন্দর ভাবেই ওযু করা সম্ভব। ব্যক্তিগত অন্যান্য কাজেও পানি অপচয় করবেন না। একদিনেই পরিবর্তন আসবে না, তবে চেষ্টা করলে কিছুদিনের মধ্যেই তা অভ্যাসে পরিণত হবে, ইনশাআল্লাহ। আসুন আমরা সকলেই সচেতন হই। জীবনে ছোট ছোট পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আল্লাহর আরো নিকটবর্তী হওয়ার চেষ্টা করি। নিশ্চয়ই আল্লাহ অপচয়কারীকে পছন্দ করেন না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *